ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে বিমানবন্দরে যা ঘটলো, এটা বর্বর ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা যৌতুক নয় : হাইকোর্ট হাঁটুর ক্ষয় সারাতে নতুন চিকিৎসার সম্ভাবনা দেখালেন গবেষকেরা তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল-ফান্ডেড বৃত্তি, নভেম্বরে শেষ আবেদন সরকারি দাম ১৮৩৭, ঢাকায় কেন ২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সুপার স্পেশালাইজডের মালিকানার ৯০% বিএমইউর, ১০% সরকারের ভর্তিযুদ্ধ নিয়ে সিনেমা ‘অন্যপাতা’, নেপথ্যে ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আসছে নতুন পলিসি ইবনে সিনা ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থলে হাসপাতালে শরণার্থী থেকে বক্সার, রামলা আলির জীবন নিয়ে চলচ্চিত্র কিশোর-কিশোরীদের ৪৭% বিষণ্ণ, উদ্বিগ্ন ৩২% প্রধানমন্ত্রী, ট্রেন টিকিটের কালোবাজারি ঠেকাতে এক মাস ক্ষমতা দিন পর্দার ‘প্রহার’ থেকে সৈনিক, চলে গেলেন সেই বিশ্বনাথ পাটেকার আফগানিস্তান সিরিজের দল ঘোষণা, খেলা শুরু ১৩ অক্টোবর দেশে বছরে উৎপাদিত হয় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম তিন বছর পর শুরু হচ্ছে হকি লিগ, দল ১১টি ওবামা থেকে ওসামা, সবার পছন্দ এই ঘড়ি ৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা কেন ৬ দিন বন্ধ রাখা হচ্ছে নামের আগে ‘সংযুক্ত’ শব্দের ব্যবহার পরিহার দাবি শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে সম্পদের বৈষম্য, ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে
ad728

যুক্তরাষ্ট্রও বুঝে গেছে, এই যুদ্ধে তারা জিতবে না

রিপোর্টারের নাম: The Daily Moon
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Oct 16, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: যুক্তরাষ্ট্রও বুঝে গেছে, এই যুদ্ধে তারা জিতবে না

গাজী মিজানুর রহমান: শুনছি ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টুইনটাওয়ারে হামলার ২০ বছর পূর্তিতে আমেরিকা তাদের সব সৈন্যকে আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। এটা পরিষ্কার যে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৫-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চলা ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে আফগানিস্তানে। যুক্তরাষ্ট্রও ইতোমধ্যে বুঝে গেছে যে, এই যুদ্ধে তারা কখনো জিততে পারবে না। যেমনটা পারেনি আরেক পরাশক্তি রাশিয়া।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে হামলার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে তালেবান শাসকদের ওপর "Operation Enduring Freedom" নাম দিয়ে হামলা চালানোর সময় প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেছিলেন, বিশ্বের প্রতিটি সন্ত্রাসী গ্রুপকে বের করে তাদের থামানো ও পরাজিত না করা পর্যন্ত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ বন্ধ হবে না।

আমি ব্যক্তিগতভাবে তালেবান কিংবা আল-কায়েদা কারোর মতাদর্শকে সমর্থন করি না। কিন্তু তারপরও বলতেই হয়- ২০০১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আফগানিস্তানে হামলা চালানোর আগে বিশ্ব অনেকটাই স্থিতিশীল ছিল। যতটুকু অবশিষ্ট ছিল ২০০৩ সালের ২০ মার্চ মাসে "ইরাকের কাছে প্রাণঘাতী পারমাণবিক অস্ত্র আছে"- এমন অভিযোগ তুলে "Operation Iraqi Freedom" নাম দিয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে হামলা চালানোর পর বিশ্ব পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং ইসলামের অনুসারীদের নানাভাবে হেনস্তা করা হয়; যা এখনো চলমান।

তবে, ইরাকের স্বাধীন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে বলেনি "আমাদের স্বাধীনতা দাও"। তারপরও "Operation Iraqi Freedom" নাম দিয়ে একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের ওপর অবৈধ হামলা চালানো হয়। যদিও, ইরাকের পাশ্ববর্তী দেশ ফিলিস্তিন স্বাধীনতা চাইলেও, আমেরিকা এখন পর্যন্ত সেটা দেয়নি। বরং, উলটো ফিলিস্তিনের মাতৃভূমিতে অবৈধ দখলদার ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো জর্জ ডব্লিউ বুশ শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি যে "ইরাকে প্রাণঘাতী অস্ত্র" রয়েছে। ইরাকে সে অবৈধ যুদ্ধে প্রায় ২০ লাখ নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারায় এবং আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ আহত হয় ও বাস্তুচ্যুত হয়
এবং গত ১৭ বছর ধরে ইরাক অস্থিতিশীল এবং প্রতিনিয়ত এখনো মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। এই ইরাক আর কখনো স্থিতিশীল হবে কিনা কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না বা বলার সুযোগও নেই।

অথচ, তেল সমৃদ্ধ এই ইরাক একসময় এতোটাই স্থিতিশীল ছিল যে, বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ সেখানে কাজ করতে যেত। তাহলে ইরাকে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষ হত্যার বিচার হবে কি? এই অবৈধ যুদ্ধ যারা বাধিয়েছেন, তাদের বিচার হবে কি?

ইরাকের বিরুদ্ধে আমেরিকার মিথ্যা অভিযোগে যুদ্ধের সূত্র ধরে মাঝে মাঝে নিজের প্রশ্ন জাগে- ২০০১ সালে আল-কয়েদার বা তালেবান সরকার কী এমন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করলো যে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র আমেরিকার গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে তারা হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে নিউইয়র্কে টুইনটাওয়ারে সফলভাবে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল, যেখানে তাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া পর্যন্ত এমন হামলা চালাতে পারেনি! এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমি আজও খুঁজে পাইনি।

লেখক: অনলাইন এক্টিভিস্ট

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad600