ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে বিমানবন্দরে যা ঘটলো, এটা বর্বর ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা যৌতুক নয় : হাইকোর্ট হাঁটুর ক্ষয় সারাতে নতুন চিকিৎসার সম্ভাবনা দেখালেন গবেষকেরা তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল-ফান্ডেড বৃত্তি, নভেম্বরে শেষ আবেদন সরকারি দাম ১৮৩৭, ঢাকায় কেন ২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সুপার স্পেশালাইজডের মালিকানার ৯০% বিএমইউর, ১০% সরকারের ভর্তিযুদ্ধ নিয়ে সিনেমা ‘অন্যপাতা’, নেপথ্যে ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আসছে নতুন পলিসি ইবনে সিনা ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থলে হাসপাতালে শরণার্থী থেকে বক্সার, রামলা আলির জীবন নিয়ে চলচ্চিত্র কিশোর-কিশোরীদের ৪৭% বিষণ্ণ, উদ্বিগ্ন ৩২% প্রধানমন্ত্রী, ট্রেন টিকিটের কালোবাজারি ঠেকাতে এক মাস ক্ষমতা দিন পর্দার ‘প্রহার’ থেকে সৈনিক, চলে গেলেন সেই বিশ্বনাথ পাটেকার আফগানিস্তান সিরিজের দল ঘোষণা, খেলা শুরু ১৩ অক্টোবর দেশে বছরে উৎপাদিত হয় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম তিন বছর পর শুরু হচ্ছে হকি লিগ, দল ১১টি ওবামা থেকে ওসামা, সবার পছন্দ এই ঘড়ি ৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা কেন ৬ দিন বন্ধ রাখা হচ্ছে নামের আগে ‘সংযুক্ত’ শব্দের ব্যবহার পরিহার দাবি শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে সম্পদের বৈষম্য, ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে
ad728

মারা গেলেন ‘৩০২ কেজি’ ওজনের মাখন মিয়া

রিপোর্টারের নাম: The Daily Moon
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Oct 14, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: মারা গেলেন ‘৩০২ কেজি’ ওজনের মাখন মিয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার দক্ষিণ মৌড়াইলের বাসিন্দা ৩০২ কেজি ওজনের মাখন মিয়া। অস্বাভাবিক ওজন নিয়ে অবশেষে জীবনযুদ্ধে হেরে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৪০) বছর।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বাবার নাম মিলন মিয়া।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মাখন মিয়ার ওজন প্রথমে স্বাভাবিক থাকলেও পরে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মৃত্যুকালে তার ওজন ছিল ৩০২ কেজি। অস্বাভাবিক এই ওজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটিয়ে ছিল মাখন। অবশেষে ওজনের কারণে জীবনযুদ্ধে হেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

মাখনের পিতা মিলন মিয়া জানান, গত কয়েক দিন যাবৎ মাখন শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ ভুগছিলেন। গত ২০ বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকই ছিল মাখন। তারপর হঠাৎ তার শারীরিক গঠন বাড়তে থাকে। সে সঙ্গে তার শরীরের ওজনও অস্বাভাবিক বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত তার ওজন ৩০২ কেজিতে গিয়ে দাঁড়ায়। ছেলেকে সুস্থ করার জন্যে চিকিৎসাও করেছেন একাধিকবার, কিন্তু অস্বাভাবিক ওজনের কারণে ব্যাহত হচ্ছিল চিকিৎসা। তার চিকিৎসাব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন নিঃস্ব তার পরিবার। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে আর্থিক কষ্টে বেঁচে থাকাই ছিল কষ্টকর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন মৃত্যু নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাতে মাখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। তার ওজনের কারণে হাসপাতালের ভেতরে জরুরি বিভাগে ঢোকানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতালের গেটেই তাকে চিকিৎসা দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, মাখনের শ্বাসকষ্ট সমস্যা ছিল। তার বুকে ব্যথা ছিল। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

২০১৭ সালে গণমাধ্যকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাখন মিয়া তার দুঃসহ জীবনের দুঃখগাথা তুলে ধরে বলেছিলেন, ‘যহন প্রেসারটা একটু লো অইয়া যায় তখন খালি খিদা লাগে। সামনে যা পাই তাই খাইতাম ইচ্ছা করে। খাওন শেষ অয় কিন্তু আমার পেডে খিদা থাহে। অত খাওন আমি পামু কই। পেডে খিদা থাকলে আবার শরীর খারাপ লাগে।’

কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন মাখন মিয়া। চোখ মুছতে মুছতে বাঁচার আকুতি জানালেন বারবার। নিজের চিকিৎসা ও খাবার খরচ জোগানোর জন্য সবার সহযোগিতাও কামনা করছিলেন।

অবশেষে সব কিছুর ঊর্ধ্বে চলে গেলেন মাখন মিয়া।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad600